মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নওগাঁ মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও শহীদদের প্রতি পুস্প নিবেদন মীরসরাইয়ে রায়পুরে জাগো অপরাজিত মৈত্রী সংঘের বিজয় মঞ্চে ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাণীনগরে কক্টেল বিষ্ফোরন মামলায় ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার-৫ নওগাঁ-৬ আসনে ছাত্রলীগের সমণ্বয়ক আসাদুজ্জামান আসাদ ছেলেকে জয়ী করতে নির্বাচনের মাঠে মাশরাফির বাবা ভুলভ্রান্তি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর সারা দেশে ১ হাজার ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন প্রধানমন্ত্রীর ছবি পরিস্কার করে, চাকরি পেলেন নেত্রকোণার রাজু ‘নির্বাচনী ইশতেহার: তারুণ্যের ভাবনা’ শীর্ষক সংলাপে বিনা বিচারে বন্দি স্বামী, মাথা ন্যাড়া করে প্রতিবাদ স্ত্রীদের

ad 02

নেত্রকোণা-৪; চাচী-ভাবী-দিদি, তিন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায়

নেত্রকোণা-৪; চাচী-ভাবী-দিদি, তিন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায়

সুস্থির সরকার: নেত্রকোণা ৪ (১৬০) আসনটিতে এবার প্রধান তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বীই নারী। হাওর অঞ্চল হিসাবে খ্যাত মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনটি জাতীয় সংসদে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ আসন থেকেই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামীলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল মমিন ১৯৭০ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয় পার্টির সময়ে  (১৯৮৩-১৯৯০)শাহজাহান ইয়ার চৌধূরী ও ১৯৯১ সালে লুৎফুজ্জামান বাবর র্নির্বাচিত হন।তাই পরবর্তীতে তিনি স্বরাষ্ট্ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। বিএনপি থেকে তিনি ২০০১ সালেও এ আসনে নির্বাচিত হন।বর্তমানে তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাবরণ করছেন।আব্দুল মমিনের মৃত্যুর পর ২০০৮ সালে এ আসনে আওয়ামীগের প্রার্থী হিসাবে নমিনেশন পান রেবেকা মমিন এবং নির্বাচিত হয়ে এখন পর্যন্ত তিনিই আছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনিই নৌকার কান্ডারী।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আব্দুল মমিন এলাকায় মোমেন সাহেব হিসাবে পরিচিত ছিলেন। সে হিসাবে উনার স্ত্রীকে সিংহভাগ লোক চাচী হিসাবে সম্বোধন করছেন।লুৎফুজ্জামান বাবর এলাকায় বাবর ভাই হিসাবে খ্যাত তাই উনার স্ত্রীকে সকলেই ভাবী হিসাবে সম্বোধন করছেন। সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জলি তালুকদার বিগত বছরগুলোতে এলাকায় দলীয় বিভিন্ন কর্ম সূচীতে অংশগ্রহন করে মানুষের মধ্যে জলি দিদি সম্বোধন কুড়িযে নিতে সমর্থ হযেছেন।তাই আমরা চাচী-ভাবী-দিদি র প্রতিদবন্ধীতাই বলতে পারি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনজন নারীই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ঘটনাটি আমাদের দেশে বিরল।”

এবার জেনে নেই বিভিন্ন সময়ে প্রধান তিনজন প্রতিদ্বন্ধী কে কে ছিলেন এবং তাদের প্রাপ্ত ভোটের পরিমান। ১৯৯১ সাল:  লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি), ৬১২৩৩ ভোট, আব্দুল মমিন(আ:লীগ) ৫৩,৩৩৮ ভোট, ব্রজগোপার সরকার (কমিউনিস্ট) ৩১৯১ ভোট।১৯৯৬ আব্দুল মমিন (আ:লীগ) ৭০,৬৩০ ভোট, লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি) ৫৪,৭৯৫ ভোট, সিরাজুল ইসলাম (ইসলামী ঐক্য) ৮১৬০ ভোট। ২০০১ সাল: লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি), ৮৮৬৫১ ভোট, আব্দুল মমিন (আ:লীগ)৮৪৮০০ ভোট, দেওয়ান শাহজাহান সিরাজ (জাতীয় পার্টি) ২১৬৯ ভোট। ২০০৮ সাল: রেবেকা মমিন (আ:লীগ) ১০৪৭২৫ ভোট, লুৎফুজ্জামান বাবর (স্বতন্ত্র) ৯১৯৯৪ ভোট, সৈয়দ আতাউল ইসলাম (বিএনপি) ৩১০৫ ভোট।(তথ্য: আমার দেশ অনলাইন)

 

 

 

 

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ad03




– প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ই-বুক –

নিউজ ৭১ অনলাইন ২০১১সাল থেকে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে।। আবেদিত নিবন্ধন সিরিয়াল নং ৯৩
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Don`t copy text!