নবীন চৌধুরী

হলুদের উপকারিতা ও গুণাগুণ

 নবীন চৌধুরী       
  শুধু রান্নায় নয়, প্রসাধনের তালিকায়ও ঠাঁই করে নিয়েছে হলুদ। বিশেষ করে মেয়েদের কাছে ত্বকের উজ্জ্বলতা রক্ষায় হলুদ সমাদৃত। তবে শুধু মসলা কিংবা প্রসাধনে নয়, বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাতেও হলুদের ব্যবহার বেশ। হালে মেয়েদের দেখা যায় ডেটল পানিতে শিশুদের গোসল করাতে। কিন্তুু যখন ডেটল ছিল না তখন মায়েরা তেল- হলুদ মাখিয়ে শিশুদের গোসল করাতেন। যেনো ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকসান বা চুলকানি, খোস- পাঁচড়া থেকে শিশুকে রক্ষা করা যায়। ভেষজবিদের মতে দেশে যতোগুলো ওষুধি মূল আছে তার মধ্যে হলুদ খুবই সহজলভ্য। যাদের প্র¯্রাবের সঙ্গে ফোঁটা ফোঁটা পুঁজ পড়ে, তারা যদি কাঁচা হলুদের রস সামান্য লবন, একটু মধু বা চিনি মিশিয়ে এক চামচের মতো খেয়ে নেন তাহলে তাদের ব্যথা সেরে যাবে। হলুদের আরেক নাম হচ্ছে ‘কৃমিঘœ’ মানে কৃমি নাশকারী । নানা রোগেরজন্মগত কীট কৃমিকে ধবংস করে বলেই তার নাম এরকমটি হয়েছে। যাদের পেটে কৃমির উৎপাত আছে তাদের জন্য হলুদ একটি আদর্শ ওষুধি। কাচাঁ হলুদের রস ১৫/২০ ফোঁটা সামান্য লবণ মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে কৃমিনাশ হয়।যাদের লিভারে গন্ডগোল আছে তাদের ব্যবস্থাপত্রেও হলুদ দিয়ে থাকেন কবিরাজরা। তাদের মতে, পান্ডু রোগে মুখে ফ্যাকাসে রঙ ধরলে ঢেকে দেবার জন্য হলুদ খুবই দরকার। রোগীকে হলুদের রস ৫/১০ ফোঁটা থেকে আরম্ভ করে এক চা চামচ পর্যন্ত একটু চিনি বা মধু মিশিয়ে খাওয়াতে হয়। এতে খুব উপকার হয়। হলুদ হাম জ্বরে বেশ কাজ দেয়। কাচাঁ হলুদকে শুকিয়ে গুডোঁ করে সঙ্গে উচ্ছে পাতার রস ও অল্প মধু মিশিয়ে হামের রোগীকে খেতে দিতে হবে। এতে
 হামের রোগী বেশ উপকার পাবে।গরুর গোশত, চিংড়ি মাছ এসব খেলে যাদের শরীরে চাকা চাকা হয়ে ফুটে ওঠে, চুলকায় তাদের জন্য হলুদ মহৌষধ। নিম পাতার গুড়োঁ ১ ভাগ , কাচাঁ হলুদ শুকিয়ে গুড়োঁ করে ২ভাগ এবং শুকনো আমলকীর গুঁেড়া ৩ ভাগ এক সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। আয়ুর্বেদী মতে কফ,পিওজব্যাধিতেও হলুদের স্বীকৃতি রয়েছে। কফ বা কাশি হলে পাঁচ/ সাত গ্রাম কাচাঁ হলুদ পিসে নিতে হবে। তারপর গুড়োঁ হলুদ দেড় কাপ আন্দাজ পানিতে ৫/১০ মিনিট ফুটিয়ে শেষে ছেকে পানিটুক আলাদা করে নিতে হবে। সেই পানি অল্প চিনি মিশিয়ে এক চামচ করে মাঝে মাঝে খেলে কফ জনিত রোগ চলে যায় , অপরদিকে হলুদের গুড়োঁ আখের গুড় আর খাটিঁ সরিষার তেল এক সঙ্গে মিশিয়ে খেলে হাপাঁনিতে একটু উপকার হয়। আঘাত, কাটা, ঘা, ফুলা বা ক্ষতে ও হলুদের গুড়োঁ চমৎকার ফল দেয়। শরীরের কোন জায়গা মচকে গেলে বা আঘাত লাগলে চুন, নুন ও হলুদ মিশিয়ে গরম করে লাগালে ব্যথা ও ফুলো কমে যায়। আর ফোঁড়া হলে পোড়া হলুদের ছাই পানিতে গুলে লাগালে দেখতে দেখতেই ঘা শুকিয়ে যায়। মেছতা ও মুখের কালো দাগ দুর করতে পারে হলুদ। প্রথমে মনসার আঠার মধ্যে হলুদ এক সপ্তাহ পর্যন্ত ভিজিয়ে রাখতে হয়। এরপর ছায়ায় শুকিয়ে তা গুড়োঁ করে নিয়মত মুখে লাগালে মেছতা সেরে যায়।এতে মুখের কালো দাগও দুর হয়ে যায়।

                             
                                        

07.07.2018 | 03:56 PM | সর্বমোট ৯৮ বার পঠিত

হলুদের উপকারিতা ও গুণাগুণ" data-width="100%" data-numposts="5" data-colorscheme="light">

জাতীয়

সরকারি কর্মীদের জনকল্যাণে কাজ করতে হবে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশে সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাদের উচ্চতর ডিগ্রির প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা তাদের দেশের ভেতরে-বাইরে...... বিস্তারিত

23.07.2018 | 01:32 PM




রাজধানী

চট্টগ্রাম

সিএমপির গোয়েন্দা কার্যালয়ে আগুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। আজ সোমবার বেলা সোয়া এগারটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের...... বিস্তারিত

23.07.2018 | 12:34 PM

ফেইসবুকে নিউজ ৭১ অনলাইন

ধর্ম

অভাবগ্রস্ত ঋণগ্রহীতার প্রতি ইসলামের যা নির্দেশ

ঋণ পরিশোধ না হলে চক্রবৃদ্ধিহারে সুদের ওপর সুদ বাড়নোর প্রবণতা সমাজে সব সময়ই ছিল। তবে তা ইসলাম পূর্ব যুগে এই...... বিস্তারিত

06.07.2018 | 01:50 PM

বিনোদন

তিন নায়কের মধ্যে কাকে এগিয়ে রাখলেন পূর্ণিমা

এ জীবন তোমার আমার' ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমার। বিশ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসা সফল...... বিস্তারিত

23.07.2018 | 11:24 AM

সর্বশেষ সংবাদ

সব পোস্ট

English News

সম্পাদকীয়

বিশেষ প্রতিবেদন

মানুষ মানুষের জন্য

আমরা শোকাহত

অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

অন্যরকম

ভিডিওতে ৭১এর মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস

ভিডিও সংবাদ