নিউজ রুম এডিটর, নিউজ৭১অনলাইন

খন্ডিত চিন্তা-চেতনা উগ্রতাবাদ সৃষ্টির অন্যতম কারণ

ফজলুল হক মাস্টার ।।
আধিপত্যবাদ খন্ডিত চিন্তার প্রকাশ। কিন্তু এটা চলে আসছে যুগে যুগে। আইএস এখন মাফিয়ার ভূমিকায়। আদিকাল আর সমকাল উভয় সময় উগ্রবাদীদের তীব্রতা দৃশ্যমান যোগ্য। ইরাকে ছেষট্টি জন মানুষ হত্যার পর আমেরিকা দাবি করেছিল মানুষগুলো তাদের মিশাইলে নয় বরং জনতা হত্যা হয়েছে  ইরাকের মিশাইলে। জঙ্গিপনার বর্বরতার বর্ণনা করে শেষ করা যাবেনা। অং সাং সূচী বলছেন তাঁর দেশে জনগনের নিরাপত্তা বিঘিœত হয়নি। বলি, ক্ষনস্থায়ী রাষ্ট্রীয় প্রেম কখনো দীর্ঘ মেয়াদী হয় না। এবং এটা রাষ্ট্রের জন্যে, জনগনের জন্যে কুফল বয়ে আনে। স্বপ্ন ঝুলিয়ে এবং জনগনের গলায় ফাঁসির দড়ি ঝুলিয়ে যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চান তাদের পরিনতি কখনোই আলোকিত  ইতিহাসের মুখ দেখে না। সংস্কারকে জীবন্তরূপ দিয়ে যারা জনগনের প্রয়োজনে রূপরেখা প্রনয়ন করেন তারাই নন্দিত হয়। বলা যায় ডিজিটাল বাংলার রূপকল্প এঁকে শেখ হাসিনার সরকার রাষ্ট্রের কল্যাণে এক অনন্য বাস্তবমূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর সুফলটা এখন ঘরে ঘরে। কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপি জামায়াত জোট জনগনের কানে কানে পৌঁছে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে পারবে না। ওরা মিথ্যা আশ^াস দিচ্ছে। এখন বিএনপি জামায়াতও ডিজিটালের সুবিধা ভোগ করছে। বিশ^ায়নের এ যুগেও শ্রদ্ধার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়ে গেছে। মিয়ানমার থেকে মুসলমানদের অত্যাচার নির্যাতন করে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে আবার তাদেরকে অন্যেরা আশ্রয়ও দিচ্ছে। মানুষের পরিচয় তাঁরা মানুষ। মানুষের  যেখানে অবস্থান আছে সেখানেই মানুষ যাবে এবং শান্তি- স্বস্থি বোধ করবে। প্রকৃতির এই নিয়েমের ওপর যারা আঘাত করে তারাই খন্ডিত চিন্তা লালন করে থাকে। মিয়ানমারের বৌদ্ধ, আর্মি তথা সরকার বিশ^ময় তাদের খন্ডিত ধ্যান ধারনা পৌঁছে দিয়ে যেমন নিন্দিত হচ্ছে আবার অসহায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে শেখ হাসিনার সরকার মানবতা প্রতিষ্ঠার জীবন্ত রূপ দিয়ে প্রশংসিত হচ্ছেন সারা বিশ্বময়। আরো জীবন্ত রূপ দিয়েছে তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এনিনি এরদৌগান রোহিঙ্গাদের দূর্দশা দেখে চোঁখের পানি ঝরিয়ে এবং অসহায়দের খাদ্যের যোগান দিয়ে। কিন্তু অবাক করা হতাশার কথা বললেন, বিএনপি নেতাগন। বিএনপি নেতা রিজভী বললেন , সরকার মুসলিম বিরোধী বলেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিচ্ছে না আর যখন সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেন তখন বিএনপির মহাসচিব মি: ফকরুল ইসলাম বললেন, সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুবিধাবাদের ভূমিকায়। অসহায়দের আশ্রয়  দেওয়ার মাঝে বিএনপি সরকারের সুবিধাবাদী  ভূমিকার কথা উচ্চারণ করে বরং নির্লজ্জতার পরিচয়টাই প্রকাশ করলেন।
রাষ্ট্র কারোর একার নয়। সরকার রাষ্ট্রের সকল শাখার, সকল ধর্ম পেশার, সকল শ্রেণি চরিত্রের লোকদের সাথে সমন্বয় করবেন। বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ এবং গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত আর সহনশীল আচরণ ব্যতিরেকে সকল মানুষের সাথে খাপ খাইয়ে চলা সহজ হয় না। বৈষম্য, নির্যাতন, অসহযোগিতা কেউ মেনে নেয়না। মেনে নেয়না অনাচার। তাছাড়া স্বাধীনতা উত্তর দেশে পঁচাত্তর এর পর উগ্র সাম্প্রদায়িকদের টেনে আনা হয়েছে ক্ষমতা দখলের মোহে। কওমী মাদ্রাসা এবং আলিয়া মাদ্রাসা এখনো সহনশীল রাষ্ট্র পরিচালনার পথে তীব্র কাঁটার মতন। কেননা এসব প্রতিষ্ঠানে সাম্প্রাদায়িকতা বিস্তারের সাথে সাথে গনতান্ত্রিক মনা রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে মানসিকতা সৃষ্টি করা হয়। আবার জঙ্গিদের প্রশিক্ষণও চলে এসব প্রতিষ্ঠানে। সব চেয়ে অশুভ সংবাদ হলো মসজিদে-মসজিদে নেটওর্য়াক ভিত্তিক ইমাম সরবরাহ করা হয়েছে জঙ্গিবাদ বিস্তারের হীন অপবুদ্ধি থেকে। সাম্প্রদায়িক অপদেবতারা বসে নেই। দখলী মানসিককতায় রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে যেখানে তাদের নিজস্ব বলয়ের লোকদের চলার পথকে সুগম করে দিয়ে তাদের মেধাকেই তাবেদার তুল্য রূপে গড়ে তুলেছে। এই যে দেখলাম সাঈদীর নিয়ন্ত্রনে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এবং নিজামীর স্ত্রী নিয়ন্ত্রন করছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এরকম লাখ লাখ কোচিং সেন্টার আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে জামায়াত রাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রে জায়গা করে নিয়েছে। যা রাষ্ট্রের জন্যে গনতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া দু:সাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। উগ্রবাদী এবং প্রতিক্রীয়াশীলরা বিনে সুঁতায় মালা গাঁথা একঝাঁক রাষ্ট্র দখলী রাজনীতিবিদের খেলায় অনেক দূর তারা এগিয়ে আছে। তারা রাষ্ট্র ক্ষমতা ভোগ করছে অর্থ বিত্তের পাহাড় গড়েছে। এর মাঝে একজন গনতান্ত্রিক মনা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এগিয়ে চলা অতটা কন্টকমুক্ত নয়। এখানে হেফাজতীদের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলে মদদ দেওয়া হয় প্রকাশ্যে । এখানে নিকট অতীতে তালেবানী স্লোগান হয়েছে। এবং আইএসের পোষাকে গুলশানের রেস্তোরাঁয় মানুষ হত্যা করা হয়েছে।  একের পর এক জঙ্গিরা আস্তনা গড়ে তুলছে। যুদ্ধ চলছে নিত্যদিন আইন রক্ষক বাহিনীর লোকদের সাথে। সাধারন মানুষ যারা গনতন্ত্র চায়, যারা গনতন্ত্র প্রিয় এবং সুধী  বুদ্ধিজীবী যারা গনতন্ত্র চায় তারা গুলশানের রেস্তোরাঁয় ঘটে যাওয়া ঘৃন্য ঘটনার বিষয়ে এক হয়ে প্রতিবাদ গড়ে তুলেনি। শোলাকিয়ায় ঈদগাহ মাঠে জঙ্গিরা আক্রমন করলেও সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা ধর্মপ্রাণ মানুষেরাও এক হয়ে কোন প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেনি। হাইকোর্ট চত্ত্বর থেকে থেমিস মূর্তি সরানো হলো অনেকেই বলতে শুরু করল সরকার হেফাজতীদের তোয়োজ করছে। মুফতি হান্নানের ফাঁসিকে ঘিরে চট্টগ্রামসহ রাজধানীতে জঙ্গিরা আস্তানা গড়ে বিশৃঙ্খলা করবার চেষ্টা করল। এরকম অপবাস্তবতার কারণ উপলব্ধি করেই সরকার হেফাজতী নেতার সাথে বৈঠকে বসেছিল, এটাকেও অনেকে মন্দার্থে প্রচার করেছে। কিন্তু কওমী মাদ্রাসায় জঙ্গিরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে, এলাকার সাধারণ এবং অসাধারণ ব্যক্তিবর্গ কখনোই বিষয়টি আমলে নেয়না। যুদ্ধপরাধীদের ফাঁসির সময়গুলোতে জঙ্গিরা কোন না কোন ভাবে মানুষ হত্যা করেছে। আমরা তো বলে থাকি সাগর-রুনি দম্পত্তি কেন হত্যা হলো ? কিন্তু এটা ভাবনা করি না, উগ্রধর্মবাদী দলের লোকেরা কাউকে বশ করতে না পারলে গোপনে তারা হত্যার মত ঘৃন্য কাজটি করতে দ্বিধা করে না। এই যা হত্যার ফ্যাসাদ রাষ্ট্রে তৈরি করা হয়ে গেছে-এটাকে একদিনে নিবৃত্ত করা কোন ক্রমেই স্বম্ভব হবে বলে মনে হয় না। ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনের পর হরতাল অবরোধের দিনগুলোতে প্রকাশ্যে মুখোশ পরে জামায়াত শিবিররা আইন রক্ষক বাহিনীর ওপর আক্রমন করেছিল। এবং একটা নৈরাজ্যকর অবস্থা সৃষ্টি করে মূলত যুদ্ধপরাধীদের বিচারের রায় অকার্যকরের ফন্দি এঁটেছিল। যুদ্ধপরাধীদের বিচার হয়েছে মূলত সরকারের দৃঢ়তা এবং কৌশলী ভূমিকার জন্যে। রাষ্ট্রে কওমী মাদ্রাসার সংখ্যা কম না। এসব রাষ্ট্রের অংশ। তাদেরকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা স্বম্ভব না। আবার তারা বর্তমান অবস্থানে উগ্রতার যা সৃষ্টি করছে সেটার নিরশনও রাষ্ট্রকেই করতে হবে অর্থাৎ রাষ্ট্রের মুখপাত্র হিসেবে কাজটি সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই করতে হবে। সে জন্যে মাঝে মাঝে কৌশলী ভূমিকায় উগ্রবাদীদের সাথেও বসতে হয়। ৫ মে হেফাজতীদের শাপলাচত্ত্বর থেকে সরাতে শুধু বন্দুক নয়, সেদিনও হেফাজতী নেতার সাথে বসতে হয়েছিল প্রধান মান্ত্রীকে । এই যা নারী স্বাধীনতার কথা বলা হচ্ছে এর বিরোধীতা যারা করছে তাদের ভূমিকা কিন্তু স্পষ্ট । কিন্তু যখন নারীদের হেয় করা হয় প্রকাশ্যে তখন কিন্তু নারী জাগরনের কোনই চিত্র চোখে পড়ে না । তারপরও  বর্তমান সরকার নারীদের সেবা প্রতিষ্ঠানের উঁচু পদে বসিয়ে চলছেন । এ ভাবেই ধীরে ধীরে আজকের নারীদের এগিয়ে যাবার পথ আগামীতে আরো মৃসন হয়ে উঠবে । কিন্তু আমরা যারা গনতন্ত্র প্রেমী তারা কিন্তু গনতন্ত্র যারা একে বারেই পছন্দ করে না তাদের পক্ষে সাফাই গেয়ে চলছি । অনুরূপ উদারতার তরল আবহে গনতন্ত্র বিরোধীরা শক্ত খুঁটি গেঁড়ে ফেলেছে। যদি বলি ‘আমরা হব তালেবান বাংলা হবে আফগানিস্তান’, এ স্লোগান, প্রকাশ্যে হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষের মদদে এর বিরুদ্ধেও গনমানুষের ভিতর তীব্র কোন শিহরণ গড়ে উঠেনি। বুদ্ধিজীবীগণও এটা নিয়ে ভাবনার প্রকাশ ঘটায়নি। তাহলে অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রধানমান্ত্রী শেখ হাসিনা রাতারাতি সৃষ্টি করতে পারবে কি ? জয় বাংলা মুক্তিযোদ্ধাদের কষ্টের স্লোগান এটা নিয়ে অপরাজনীতি হয়েছে প্রকাশ্যে। যারা দেশ ও মাটিকে ভালোবাসেন, যারা শিক্ষিত, তারা তো এসবকে কখনো প্রশ্রয় দেওয়ার কথা না। কিন্তু দিচ্ছে । বড় হবার মোহে এবং বড় বুদ্ধিজীবী হবার মোহে অনেকে ইতিহাস বিকৃত করেছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কিন্তু মুখ খুলিনি। বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসন কালে যখন আমরা একেবারেই সমৃদ্ধির শিখড়ে তখন অনেকের মুখে খঁই ফুটছে গনতন্ত্র গেল গেল এটা বলে । আদদে স্বাধীনতা উত্তর দেশে পচাত্তর এর পর রাজনীতির ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ভোগের তাই রাজনীতির ¯্রােতে মন্দ-ছন্দ লোকেরা ডুকে পরেছে যা কল্যাণময় রাষ্ট্রের পথে নির্ঘন্টক বাঁধার কারণ । ২০০৮ সালের নির্বচনে প্রার্থীতা বাছাইয়ে আওয়ামীলীগ চিহ্নিত দূর্নীতিবাজদের দূরে রেখেছিল কিন্তু বিএনপি জনমনের স্পন্দনকে মূল্যায়ন না করে দূর্ণীতিবাজদের মনোনয়ন দিয়েছিলেন। এসব আমরা ভূলে গেলে রাষ্ট্র আবারও গর্তে ঢুকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। অন্যদিকে আদিপত্যবাদ বিস্তারের মানসে জঙ্গিদের ব্যবহার করে খালেদা জিয়ার সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকার যে হীন মানসিকতা প্রদর্শন করেছিল তা দৃশ্যমান হবার পরেও আমরা কেন বুঝতে পারছি না গনতন্ত্রের জন্যে প্রগতিবাদীদের শাসন খুবই জরুরী?    
লেখক:                                                                             
মো: ফজলুল হক মাস্টার
প্রধান শিক্ষক
নারিকেলী উচ্চ বিদ্যালয়
জামালপুর সদর, জামালপুর।


24.09.2017 | 12:16 PM | সর্বমোট ৯৮ বার পঠিত

খন্ডিত চিন্তা-চেতনা উগ্রতাবাদ সৃষ্টির অন্যতম কারণ" data-width="100%" data-numposts="5" data-colorscheme="light">

জাতীয়

ঢাকার বস্তিবাসীদের জন্য ১০ হাজার অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি করবে সরকার

ঢাকার বস্তিবাসীদের জন্য ১০ হাজার অ্যাপার্টমেন্ট তৈরির পরিকল্পনা করা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। তিনি জানান...... বিস্তারিত

19.10.2017 | 08:26 PM




রাজধানী

শহীদ শেখ রাসেলের ৫৩তম জন্মবার্ষিকীতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধান্জলী

স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৩তম জন্মদিন গতকাল ১৮ অক্টোবর ২০১৭ রোজ বুধবার। ১৯৬৪ সালের...... বিস্তারিত

19.10.2017 | 08:43 AM

চট্টগ্রাম

মীরসরাই নবগঠিত উপজেলা ছাত্রলীগের পরিচিতি ও কার্যকরী সভা

মীরসরাই প্রতিনিধি ঃমীরসরাই নবগঠিত উপজেলা ছাত্রলীগের পরিচিতি ও কার্যকরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল ৫টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে নবগঠিত...... বিস্তারিত

18.10.2017 | 05:40 PM

ফেইসবুকে নিউজ ৭১ অনলাইন

ধর্ম

কেমন হবে মুমিনের ব্যবহার?

ইসলামী শরিয়ত হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবনপদ্ধতি, যা সব দিক থেকে সার্বিকভাবে মুসলমানের ব্যক্তিগত জীবনকে গঠন করার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে,...... বিস্তারিত

13.10.2017 | 10:32 AM

বিনোদন

পর পর দুই ছবি

আসছে ৩রা নভেম্বর তমা মির্জা অভিনীত নতুন ছবি ‘গেইম রিটানর্স’ মুক্তি পাবে। এরপর ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার আরেকটি নতুন...... বিস্তারিত

19.10.2017 | 01:37 AM

সর্বশেষ সংবাদ

সব পোস্ট

English News

সম্পাদকীয়

বিশেষ প্রতিবেদন

মানুষ মানুষের জন্য

আমরা শোকাহত

অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

অন্যরকম

ভিডিওতে ৭১এর মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস

ভিডিও সংবাদ