শাকিল মুরাদ, বিভাগীয় প্রধান ,শেরপুর

বোনাস ধানে আশার আলো দেখছেন শেরপুরের কৃষকরা

শাকিল মুরাদ: শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় এখন বোরো ধানের জমিতে মুড়ি ফসল হচ্ছে। উপজেলার পোড়াগাঁও, নন্নী, রামচন্দ্রকুড়া, কাকরকান্দি, নালিতাবাড়ী সদর, রূপনারায়ণকুড়া, নয়াবিল ইউনিয়ন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার কিছু এলাকায় মুড়ি ফসল বেশি লক্ষ্য করা যায়। বিআর-২৬ ও ব্রি ধান-২৮ জাতের জমিতে মুড়ি ফসল বেশি হলেও হাইব্রিড জাতের কিছু ধানের জমিতেও মুড়ি ফসল দেখা যায়। একর প্রতি গড়ে ১০-১৪ মণ ধান পাচ্ছেন কৃষকরা। তবে শীষ আসার সময় যে সকল কৃষকগণ সামান্য যত্ন নিয়েছেন তারা ফলন পাচ্ছেন একর প্রতি ১৬-২০ মণ।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, নালিতাবাড়ী উপজেলায় এ বছর প্রায় এক হাজার ২শ হেক্টর জমির মুড়ি ফসল কেটেছেন কৃষকরা। মুড়ি ফসলের এবারের ফলন আগামী বছর কৃষকদের এ ফসলের প্রতি আরও যত্নবান হতে উদ্বুদ্ধ করবে। এ বিষয়ে কৃষি বিভাগ থেকে স্থানীয়ভাবে প্রচারণা চালানো হয়েছে।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মুড়ি ফসলকে ইংরেজিতে বলে ‘রোটন ক্রপ’। বিশেষত ধান, আখ, কলায় মূল ফসল কাটার পর অবশিষ্টাংশ গোড়া থেকে পুনরায় গাছ হয় ও ফলন পাওয়া যায়। একেই মুড়ি ফসল বলে। মুড়ি ফসলে চাষ, লাগানো ও অন্যান্য যত্ন কম নিতে হয়। তাই ফলন কম হলেও চাষের খরচ কম হয় বিধায় কৃষকের লাভ হয়। তবে কিছু যত্ন যেমন আগাছা ও মরা পাতা পরিষ্কার করে দেয়া, ছত্রাকনাশক স্প্রে করা এ সকল পরিচর্যা করলে ফলন বাড়ে। এবার বোরো ধান কেটে ঘরে নেয়ার দেড়-দুই মাস পর ওই জমি থেকেই বিনা খরচে একর প্রতি ১০-১২ মণ ‘মুড়িধান’ উৎপাদন করে দারুণ খুশি কৃষকরা। কোথাও কোথাও আবার ২০-২৫ মণ করেও মুড়িধান হয়েছে। বোরোর এ মুড়িধানকে আউশ আবাদের বিকল্প হিসেবেও ভাবতে শুরু করেছেন স্থানীয় কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা।

নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি এলাকার কৃষকরা জানান, কোনো রকম খরচ ছাড়াই তারা মুড়ি ধান পেয়েছেন। মূল বোরো ধান কাটার ১৫-২০ দিনের মধ্যেই পতিত নাড়ার মধ্যে শীষ আসে। এর ২০-২৫ দিনের পর ধান পাকে। দেখা যায়, মূল ধান কাটার পর ৪৫-৫০ দিনের মধ্যেই আবার এ ফসল কাটতে পারেন কৃষকরা।

হাতিবান্দা গ্রামের কৃষক মোশারফ হোসেন জানান, ২২ কাঠা জমিতে ‘মুড়িধান’ ফলন হয়েছে ১৫ মণ। শুধুমাত্র ধান কাটানোর ব্যয় ছাড়া পুরোটাই তার লাভ। বোনাস ধান হিসেবে পেয়েছি। 

শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আশরাফ উদ্দিন নিউজ৭১অনলাইনকে বলেন, এবার নালিতাবাড়ী উপজেলায় মাত্র ৭শ হেক্টর আউশ জমির বিপরীতে‘মুড়িধান’আবাদ হয়েছে প্রায় এক হাজার ২শ হেক্টর জমিতে। একর প্রতি ফলন হয়েছে ১০-১২ মণ হারে। এতে‘ফাউ’ধান পেয়ে কৃষকরাও দ্বিগুন উৎসাহিত হয়েছে।

06.07.2018 | 09:01 PM | সর্বমোট ২০৫ বার পঠিত

বোনাস ধানে আশার আলো দেখছেন শেরপুরের কৃষকরা" data-width="100%" data-numposts="5" data-colorscheme="light">

জাতীয়

সরকারি কর্মীদের জনকল্যাণে কাজ করতে হবে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশে সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাদের উচ্চতর ডিগ্রির প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা তাদের দেশের ভেতরে-বাইরে...... বিস্তারিত

23.07.2018 | 01:32 PM




রাজধানী

চট্টগ্রাম

সিএমপির গোয়েন্দা কার্যালয়ে আগুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। আজ সোমবার বেলা সোয়া এগারটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের...... বিস্তারিত

23.07.2018 | 12:34 PM

ফেইসবুকে নিউজ ৭১ অনলাইন

ধর্ম

অভাবগ্রস্ত ঋণগ্রহীতার প্রতি ইসলামের যা নির্দেশ

ঋণ পরিশোধ না হলে চক্রবৃদ্ধিহারে সুদের ওপর সুদ বাড়নোর প্রবণতা সমাজে সব সময়ই ছিল। তবে তা ইসলাম পূর্ব যুগে এই...... বিস্তারিত

06.07.2018 | 01:50 PM

বিনোদন

তিন নায়কের মধ্যে কাকে এগিয়ে রাখলেন পূর্ণিমা

এ জীবন তোমার আমার' ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমার। বিশ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসা সফল...... বিস্তারিত

23.07.2018 | 11:24 AM

সর্বশেষ সংবাদ

সব পোস্ট

English News

সম্পাদকীয়

বিশেষ প্রতিবেদন

মানুষ মানুষের জন্য

আমরা শোকাহত

অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

অন্যরকম

ভিডিওতে ৭১এর মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস

ভিডিও সংবাদ