মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

ড. ওয়াজেদ মিয়ার দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত, মিলাদ ও ইফতার অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণু বিজ্ঞানী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জামাতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালের ৯ মে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে দেশের এ কৃতি সন্তান ইন্তেকাল করেন।

বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া স্মৃতি পাঠাগার এর উদ্যোগে আজ ১০ মে ২০১৯ রোজ শুক্রবার বাদআছর রাজধানী মোহাম্মদপুর টাউনহল শহীদপার্ক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত, মিলাদ ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া স্মৃতি পাঠাগার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক নূরুন নবী ভোলা’র পরিচালনায়, উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. খোন্দকার শামসুল হক রেজা।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিজ্ঞানী ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়া স্মৃতি পাঠাগার পরিচালা কমিটির সভাপতি জনাব সিদ্দিক হোসেন চৌধুরী এবং সাবেক এমপি জনাব ছবি বিশ্বাস। এ ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের নের্তৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত, মিলাদ ও ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন নিরহংকার, নির্লোভ ও প্রচারবিমুখ একজন মানুষ। তাঁর মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে জনগণের কল্যাণে যে কাজ করে গেছেন জাতি তা গভীর শদ্ধার সাথে স্মরণ করে। তার কর্মের জন্য শুধু আমাদের কাছে নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বেঁচে থাকবেন। বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী ওই বিজ্ঞানী ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি লালদিঘীর ফতেহপুরে একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মরহুম আবদুল কাদের মিয়া ও ময়জান নেছার সন্তান ওয়াজেদ মিয়া ‘সুধা মিয়া’ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। ওয়াজেদ মিয়া ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় এবং ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান লাভ করেন।

১৯৬৭ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি তৎকালীন পাকিস্তান আণবিক শক্তি কমিশনে যোগ দিয়ে চাকরি জীবন শুরু করেন। পরে আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানেরও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগে যুক্ত ওয়াজেদ মিয়া ১৯৬১ সালে ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাথে তার বিয়ে হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর তিনি সাত বছর নির্বাসিত জীবন কাটান।

11.05.2019 | 10:09 AM | সর্বমোট ৩৪৭ বার পঠিত

ড. ওয়াজেদ মিয়ার দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মোনাজাত, মিলাদ ও ইফতার অনুষ্ঠিত" data-width="100%" data-numposts="5" data-colorscheme="light">

জাতীয়

শেষ হলো ৮ম এসএসইএএসআর আন্তর্জাতিক সম্মেলন

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) আয়োজিত ৮ম এসএসইএএসআর আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২০১৯ এর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলো। গত শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে...... বিস্তারিত

17.06.2019 | 09:22 PM


রাজধানী

চট্টগ্রাম

চট্টলা এক্সপ্রেসে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, যাত্রীদের সর্বস্ব লুট

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেসে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা ফেনী স্টেশন ছাড়ার পর একটি বগির ছাদে থাকা যাত্রীদের মারধর ও...... বিস্তারিত

13.06.2019 | 02:29 PM

ফেইসবুকে নিউজ ৭১ অনলাইন

ধর্ম

বিনোদন

মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র কবিতা-’আষাঢ় দিয়ে ধুয়ে নেব’

আষাঢ় দিয়ে ধুয়ে নেব**মোহাম্মদ শহীদুল্লাহপুড়ে যদি মনটা তোমারআষাঢ় দিয়ে ধুয়ে দেবদাহক জ্যৈষ্ঠমাস।দহনের সাঁড়াশী জুলুমকে গলায় ঝুলিয়ে আকাশ কাঁপায় চাতকের অনিরাপদ কন্ঠনালীসবুজের...... বিস্তারিত

17.06.2019 | 11:52 AM

সর্বশেষ সংবাদ

সব পোস্ট

English News

সম্পাদকীয়

বিশেষ প্রতিবেদন

মানুষ মানুষের জন্য

আমরা শোকাহত

অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

অন্যরকম

ভিডিওতে ৭১এর মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস

ভিডিও সংবাদ